ঢাকা : শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • অটিজম আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে আহবান প্রধানমন্ত্রীর          নারীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সকলকে সহযোগিতার আহবান স্পিকারের          প্রশ্ন ফাঁসমুক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠানে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন
printer
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৮:০৭:১৭
কুড়িগ্রাম চিলমারীতে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রাম আদালত
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা


 


কুড়িগ্রামের চিলমারীতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গ্রাম আদালত কার্যক্রম। স্থানীয় পর্যায়ে ছোট-খাটো বিরোধ ও সমস্যা সমাধানে মানুষ এখন থানা-পুলিশে না গিয়ে গ্রাম আদালতেই সুবিচার যাচ্ছেন। এবং রমনা ইউনিয়ন পরিষদকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ফুল, ফল, ঔষুধের গাছ দিয়ে। ইউনিয়ন কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত এ আদালতে ফৌজদারী দেওয়ানী ও যেসব মামলার বিচারিক কাজ ৭৫ হাজার টাকার উদ্ধে হবে না এমন সব মামলা এখানের দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। সাধারণত সপ্তাহে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার এখানে গ্রাম আদালত বসে সর্বচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়। গ্রামীন জনগোষ্ঠির দোর গোড়ায় ন্যায়বিচার পৌচ্ছে দেওয়ার  লক্ষ্যে রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে এ আদালত। যা ব্যাপক প্রসশিংত হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়ন  পরিষদের নিজস্ব উদ্যেগে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শুরু করা হয়। গ্রাম আদালতের প্রধান হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এছাড়াও বাদী বিবাদীদের একজন করে মনোনিত দু’জন একজন ইউপি সদস্য ও একজন গণমান্য ব্যাক্তি সহ ৫ জনকে নিয়ে শুরু হয় এ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। আর বর্তমানে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিশেষ করে সাধারণ দরিদ্র মানুষ এ আদালতের উপর ক্রমেই নির্ভরশীল হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদা বেগম জানান অভিযোগ করার কয়েক দিন এর মধ্যেই গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সমস্যার সামাধান পাচ্ছেন তারা। এতে করে তাদের আর থানা পুলিশে যেতে হচ্ছে না। রমনা মডেল ইউনিয়নের সচিব মোঃ মিনারুল হক বলেন, গ্রাম আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা যে ভাবে বাড়ছে জনবল নিযোগ দেওয়াসহ আলাদা বাজেট বরাদ্দ করা প্রয়োজন। সরকার এ উদ্যোগে গ্রহন করলে গ্রামের সহজ সরল মানুষরা এর সুফল পাবে।
রমনা মডেল ইউনিয়নের পরিষদের তথ্য মতে, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯২টি অভিযোগ মধ্যে ৬৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকি অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি না হওয়ার আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মো: আজগার আলী জানান, গ্রামের মানুষের দিন দিন গ্রাম আদালতের প্রতি আস্থা রাখতে শুরু করেছে। ছোট-খাটো বিরোধ নিয়ে আর মামলা মোকদ্দমায় যাচ্ছেন না তারা ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ ব্যাপারে জেলা পরিষরদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব মোঃ জাফর আলী ও জেলা প্রশাসক মোঃ আবু ছালেহ ফেরদৌস খান বলেন, গ্রাম আদালত চালু হবার পর মানুষ ছোট ছোট বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গ্রাম আদালতের দিকে ঝুঁকছেন। যা গ্রাম আদালত কার্যক্রম একটি ইতিবাচক দিন বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরো জানান, উপজেলার অন্য ইউনিয়ন পরিষদকেও রমনা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের আদলে গ্রাম আদালত করতে বলা হয়েছে।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd