ঢাকা : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • মেক্সিকোতে শক্তিশালী ভূমিকম্প          এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ এপ্রিল          শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত : প্রধানমন্ত্রী          তিন হাজার বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে          পাবলিক পরীক্ষায় অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা : শিক্ষামন্ত্রী           সালেই বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে : মেনন
printer
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৬:১৯:৪৭
বেনাপোলে তিন উৎসবে ৪৫ কোটি টাকার ফুলবিক্রির টার্গেট
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


আর মাত্র একদিনপর ১৩ ফেব্রয়ারি বাঙালির বসন্ত বরন ১লা ফাল্গুন, ১৪ ফেব্রয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস ভ্যালেনটাইনডে ও আসছে ২১ শে ফেব্রয়ারি ভাষাদিবস।এই তিন উৎসবকে ঘিরে বেশী লাভের আশায় ফুলের বাজার ধরতে ব্যাস্ত সময় পার করছেন চাষী ও ব্যাবসায়িরা। শার্শা-বেনাপোলে উৎপাদিত ফুল রফতানি হচ্ছে গদখালি ঢাকা চিটাগাং সহ বিভিন্ন জেলা শহরে লাভবান হচ্ছেন তারা। বাড়ছে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সমাগম-এবার যশোরের ৪৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা ব্যাবসায়িদের।
 
খুলনা থেকে আসা আবির হোসেন,লাকী বেগম ও বাড়আচড়ার আসানুর রহমান বলেন, ভালবাসা দিবসের ফুল কিনতে এসে কমদামে ফুলপেরে খুশি তারা। বিস্তীন্ন মাঠ ও বাজারজুড়ে বিভিন্ন ফুলের সমারোহ। ফুলের মৌ মৌ গন্ধে পুলকিত তারা। ফুল ও ভালবাসা ছড়িয়ে দিতে চাই বিশ্বের দরবারে। ক্রেতা  ও দর্শনার্থীরা আরো বলেন যশোরের শার্শা বেনাপোল গদখালি নিজামপুর, উলাশি, নতুনহাট, চৌগাছা,পানিসারা সহ বিভিন্ন এলাকায় হচেছ উন্নত জাতের চাষ। এবার উৎপাদন ভাল হওয়ায় দাম অনেকটা নাগালের মধ্যে বলে জানান তারা।
আধুনিকতার এযুগে বিভিন্ন উৎসব আনুষ্ঠানিকতায় ফুলের কদর ও চাহিদা রয়েছে সর্বত্রই। তাই ফুলের রাজধানী খ্যাত গদখালিসহ শার্শা ও বেনাপোলে বাড়ছে গোলাপ, রজনীগন্ধা, গোলাপ, গাঁদা, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস,জিপসি, ক্যালেন্ডুলা, ডালিয়া, লিলিয়াম, চন্দ্র মল্লিকাসহ দেশী বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চাষ। উচ্ছ মূল্যের ফসল হিসাবে ফুলচাষে লাভবান হচ্ছে চাষীরা। ১লা ফাল্গুন ও ভালবাসা দিবসের বাজার ধরতে বেনাপোল নাভারন ও বাগআচড়া বাজারে বসে অস্থায়ী ফুলের বাজার। বাড়ছে বেচাকেনা-গদখালিসহ শার্শা-বেনাপোলের ফুল চাষি ও ব্যাবসায়িদের কাটছে ব্যাস্ত সময়। জমে উঠেছে গদখালির ফুলের বাজার।   
 ফুল ব্যবসায়িরা এমদাদদুল হক,আরমান আলী ও ইলিয়াজ হোসেন জানান, এখন ফুসরত নেই তাদের। খুচরা ও পাইকারী ক্রেতার সমাগম বাড়ছে। স্থানীয় ফুল রফতানি হচেচছ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে। যশোরে উৎপাদিত ফুল এলাকার চাহিদা মিটিয়েও দেশের ৭০% ফুলের চাহিদা মিটানো হয় যশোরের ফুল দিয়ে। দাম ক্রেতা বিক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই বলে জানান তারা।  
বসন্তবরন ও ভালবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা থাকায় বাড়ছে বেচাকেনা লাভবান হচ্ছেন তারা। ২১শের ফুল যাচ্ছে আগাম বাজারে। ফলে চাষী ও বিক্রেতাদের কাটছে মহা ব্যাস্তসময়।
উপজেলা কৃষি অফিসার,হীরক কুমার সরকার-জানান, উচ্ছমূল্যের ফসল হিসাবে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর কৃষকদের ফুল চাষে প্রশিক্ষন পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছেন। এঅঞ্চলে শতাধিক বিঘা জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে হয়েছে দেশি বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চাষ। এখন তিন উৎসবকে ঘিরে ফুল চাষিদের কাটছে ব্যাস্ত সময় এবার কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা করে তিনি।
 
স্থানীয় বাজারে,জারবেরার স্টিক বিক্রি হচ্ছে১০-থেকে১৫ টাকায়,প্রাউজলা ৮টাকা, রজনীগন্ধা ৩-৪টাকায়, গোলাপ৫থেকে৭টাকায়, রং ভেদে গ্ল্যাডিওলাস ৭থেকে ১০টাকায় এবং এক হাজার গাঁদা মিলছে ২৩০ থেকে সাড়ে৩শ টাকায়।
বাংলাদেশ ফ্লেওয়ার সোসাইটি, (ফুল ব্যাবসায়ি সমিতি) সভাপতি মো: আব্দুর রহিম বলেন,ফুলের রাজ্যহিসাবে খ্যাত গদখালি সহ যশোর জেলায় প্রায় ১৬শম হেক্টর জমিতে হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ। সাড়ে ৬হাজার কৃষক ঝুঁকেছেন ফুলচাষে। এবার তিন উৎসবে ৪৫কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা করেন তিনি। ফুল চাষে সফল হচ্ছেন চাষী ও ব্যাবসায়িরা। আগামীতে বিদেশেও ফুল রফতানি করতে চান তারা।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থ-বাণিজ্য পাতার আরো খবর

Developed by orangebd