ঢাকা : বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • জাতীয় নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর          নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি          আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার বুধবার থেকে নেবেন প্রধানমন্ত্রী          দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪৮:০৭আপডেট : ০৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪৮:৪৯
জনগণের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোকতাদির চৌধুরীর এমপি বিকল্প নাই
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা


 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নির্বাচনী এলাকায় সমাজ কল্যাণমূলক কাজ ও ব্যাপক উন্নয়ন করে সাধারণ মানুষের মন জয় করে নেন। অসহায় মানুষের খোঁজ পেলে যথাসাধ্য সাহায্য-সহযোগিতা করেন। এসব কারণে ভোটের আগে মানুষের মুখে মুখে মোকতাদির চৌধুরী’র নাম। সাধারণ জনগণের সাথে মিশে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক, সেবামূলক আর ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কারণে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র, আ, ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
 
জনগণের প্রিয় নেতা মোকতাদির চৌধুরী জনগণের ভাগ্যন্নোয়নে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এমন কোন সেক্টর নাই যেখানে তিনি উন্নয়ন পৌঁছাননি। শেখ হাসিনার স্নেহভাজন মোকতাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্কুল কলেজের ঊর্ধ্বমূখী সম্প্রসারণ, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, নদী-খাল খনন, ফ্লাইওভার/ওভারপাস নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে তাঁর নির্বাচনী এলাকার দু’টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ  নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বেড়েছে শিক্ষার হার এবং জনগণ পেয়েছে উন্নত জীবনের ছোঁয়া। ইতিহাস-ঐতিহ্য চর্চা কিংবা শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশের হ্মেত্রেও উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর জুড়ি মেলা ভার। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলায় বিগত ৮বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। তার আমলেই এই দুই উপজেলার চিত্র পাল্টে গেছে।
 
সাধারণ জনগণের কাছে মোকতাদির চৌধুরী অত্যন্ত নির্ভরতার একটি নাম। সংসদ সদস্যের নাগাল পেতে যেখানে এলাকার সাধারণ মানুষকে তার পেছনে ছুটতে হয়, সেখানে এই সাংসদের বেলায় দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সংসদ অধিবেশন ও জরুরি কাজ ছাড়া তিনি সার্বক্ষণিক এলাকায় থেকে মানুষের সেবা করেন। তিনি সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর জানার জন্য প্রতিদিন কোনো না কোনো এলাকায় যান। জানা গেছে, নির্বাচনী এলাকায় প্রায়শ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সভা-সমাবেশ করে জনসাধারণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচার করে যাচ্ছেন।
 
সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর এলাকাকে নৌকার ঘাঁটিতে পরিণত করেছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করেছেন। এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন ও সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন। বিশেষ করে এমপি মোকতাদির চৌধুরী সুষম উন্নয়নের পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। সাধারণ জনগণ দিনরাত নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে, কারো মাঝে কোন শঙ্কা নেই। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেকারণে তিনি শুরু থেকেই এবিষয়ে ছিলেন আপোষহীন। তারঁ সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের ফলে শান্তির সুবাতাস পৌঁছে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ঘরে। সে কারণে মোকতাদির চৌধুরীকে আবারো জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। 
 
নির্বাচনী দুই উপজেলায় তার প্রতিটি পথসভা, গণসংযোগ, জনসভা সব জায়গাতেই জনতার ঢল নামছে। তিনি প্রতিটি সভায় নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারো দেশের প্রধানমন্ত্রী করার জন্য আবেদন জানাচ্ছেন।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd