ঢাকা : মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম :

  • সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : সিইসি          নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : সিইসি          দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাক : মমতা          জীবনমান উন্নয়নের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী          বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছতে পারবে না : জয়
printer
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর, ২০১৮ ১২:০৫:৩৫
বেনাপোলে জলাতঙ্ক প্রতিকারে প্রতিশেধক সংকট
এম এ রহিম, বেনাপোল


 


যশোরের শার্শা বেনাপোলে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের উপদ্রুপে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে পথচারিরাসহ সাধারণ মানুষ। প্রুিতকারে নেই কোন ব্যাবস্থা-কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছ ৫ শতাধিক নারী পুরুষ ও শিশু। প্রতিশেধক ইনজেকশন সংকটে আতংকিত আক্রান্তরা।
পশুসহ কুকুর নিধনে পরিবেশ বাদিরা উচ্চ আদালতে রীট দাখিল করায় কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। ফলে দেশব্যাপি বন্ধ রয়েছে কুকুর নিধন। এর ফলে প্রতিবছর আশংকাজনক হারে বাড়ছে কুকুর। যশোরের শার্শা,বেনাপোলে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রুপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ। সড়কে বাসা বাড়ীতে সহ বিভিন্ন এলাকায় পাগলা কুকুর আতর্কিতভাবে নারী পুরুষের শরীরের বিভিন্ন অংশে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে। কুকুর আতংকে লাঠি নিয়ে বাসা বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে অনেকে। গত ১মাসে উপজেলায় ৫শতাধিক মানুষ কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় পৌর সভা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শেষ হয়ে গেছে প্রতিশেধক।
কুকুরে কামড়ে আক্রান্তরা হাসপাতালে যেয়ে পাচ্ছেনা প্রতিশেধক-ফলে তাদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা ও আতংক-প্রতিকার চান তারা।
শার্শা উপজেলা রিপোটার্স ক্লাবের সহ সহ সভাপতি হেদায়েত উল্øাহ ও প্রতিবেশী আরিফুজামান বলেন, গত এক সপ্তাহে বেনাপোলের নাসিমা,নাভারনের শাহিন ও আবিদা সহ শতাধিক ব্যাক্তি কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হলেও কুকুর নিধনে সরকারের নেই কোন উদ্যোগ-পরিবেশ বাদিদের দাবীর মুখে কুকুর নিধন বন্ধ থাকায় বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা-আতংকিত এলাকার মানুষ প্ররিত্রান চান স্থানীয়রা। তারা বলেন রাতে দিনে কুকুরের অবাধ বিচরনে ভয়ে শিশুরা সহ শিক্ষার্থীরাও আতংকিত হয়ে পড়ছে। কখনও দল বেধে অবাধ বিচরন করছে এসব হন্যে হয়ে যাওয়া কুকুর।জলাতঙ্গ রোগের ভয়ে অনেকে লাঠি হাতে নিয়েই চলছে পথ। কিছু কিছ ্রগ্রামের যুবক ছেলেরা কুকুর এলাকা ছাড়া করতে কাজ করছে। তবে সরকার তথা পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে কুকুর নিধন ও প্রতিশেধক বাড়ানোর দাবী তাদের।
 আক্রান্ত পরিবারের অনেকেই জানান ভিন্ন কথা। তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে নেউ ভেকসিন। অনেক ক্লিনিকেও মিলছে না। ফার্ম্মেসীগুলোতে মাঝে মধ্যে ভেকসিন পাওয়া গেলেও দাম বেশী। ৮শ থেকে ৯শ টাকায় কিনতে হচেছ প্রতিশেধক। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, বেনাপোলে প্রতিবছর নিধন করা হত কুকুর। এখন হচেছনা। ফলে কুকুর আতংক বেনাপোলের মানুষ। তাদের সন্তানদের কুকুরের ভয়ে স্কুলে পাঠাতে কষ্ট হচ্ছে। পাগলা ককুর আতংক থেকে মুক্তি চান তারা।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা-ডা: অশোক কুমার জানান,জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাওয়া ৪শতাধিক প্রতিশেধক ইনজেকশন চলতি মাসেই শেষ হয়ে গেছে। চাহিদা অনুযায়ি ভেকসিন পাচ্ছেন-না সরবরাহ-যে হারে কুকুর ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে সে অনুযায়ি সেবা দিতে হিম শিম খাচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের পক্ষে মতদেন চিকিৎসকরা।
ককুর নিধন চালু করে বাড়ানো হোক প্রতিশেধক, কমুক আতংক ও উৎকন্ঠা-এমনটাই দাবী শার্শাবাসীর।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd