ঢাকা : শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সংবাদ শিরোনাম :

  • নবম ওয়েজবোর্ড দ্রুত কার্যকর করা হবে : তথ্যমন্ত্রী          দুর্নীতি করলেই যথাযথ ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রী          ডিএনসিসির উপ-নির্বাচনে বাধা নেই          ফের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়          মিয়ানমার সংকট : শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় জাতিসংঘ          ভারতে ৬ বছরেই নাগরিকত্ব পাবেন বাংলাদেশি অমুসলিমরা
printer
প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর, ২০১৮ ১৮:১১:৫৮
বন্যা সহনশীলজাত ধান আবাদে লাভবান কৃষক
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা


 


বন্যা প্রবণ কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যাসহশীলজাত ব্রিধান-৫২ চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষক। বৈরী প্রকৃতিকে জয় করে বিঘায় ২৭ মণ ধান পেয়ে খুশি তারা। বুধবার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্য কুমরপুর এলাকার সপপাড়া গ্রামে কৃষক হোসেন আলী’র বাড়ীর উঠোনে ব্রিধান-৫২ কর্তন উপলক্ষে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্ব খাতের অর্থায়নে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রশীদ। মেম্বার আব্দুস সাফি’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদর ইউএনও আমিন আল পারভেজ, সদর কৃষি কর্মকর্তা ষট্টিচন্দ্র রায়, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কে.এম নাজমুল হুদা প্রমুখ। এবার সদর উপজেলায় দুটি ইউনিয়নে ২০টি প্রদর্শনী প্লটে এই ধান আবাদ করা হয়।
জেলায় প্রতিবছর বন্যায় শতশত হেক্টর আমন ফসল পানিতে তলিয়ে যায়। জমি কর্ষন, সার, তেল, সেচ, নিড়ানী খরচে গ্যাটের পয়সা খরচ করে কৃষকদের লড়াই করতে হয় বৈরী প্রকৃতির সাথে। এ অবস্থায় কৃষি বিভাগ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সহনশীলজাত ধান আবিস্কার করায় প্রলংকরী বন্যার পরও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেরে খুশি এখানকার চাষীরা। এই ধান বন্যার পানিতে ২০ থেকে ২৫ দিন নিমজ্জিত থাকলেও কোন ক্ষতি হয় না। ফলে এই ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে।
চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় ১ লাখ ১৫ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে । এরমধ্যে প্রতিবন্ধকতা সহনশীলজাত আবাদের পরিমাণ ৭ হাজার ৫শ’ হেক্টর।

printer
সর্বশেষ সংবাদ
সারা দেশ পাতার আরো খবর

Developed by orangebd