timewatch
১৬ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ভোর ৫:২৯ মিনিট
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন
শিরোনাম

মানিকগঞ্জ-২ আসনের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে প্রেম ও সুশাসন সুনিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য : এ কে নাহিদ, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, মানিকগঞ্জ-২ আসন (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি)

প্রতিবেদক
রুপম আক্তার
ডিসেম্বর ৩১, ২০২৩ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

এ কে নাহিদ; দেশের একজন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার কর্মী এবং রাজনীতিবিদ। পেশাগত জীবনে তিনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দেশের উন্নয়ন রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামের একজন কলম সৈনিক হিসেবে নিরন্তর নিরলস কাজ করছেন। এছাড়াও তিনি দেশের একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে মানিকগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন। শিক্ষা জীবনে তিনি বোয়ালী উচ্চ বিদ্যালয় (হরিরামপুর) থেকে ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ফাস্ট ডিভিশন এবং ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ (মানিকগঞ্জ) থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি সেকেন্ড ডিভিশন ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক ডিগ্রি অর্জন শেষে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। এরই আলোকে জনাব নাহিদ ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১০ জানুয়ারি দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্ম-জীবন শুরু করেন। তিনি ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে পাক্ষিক অর্থকথা বিজনেস ম্যাগাজিনে অর্থনৈতিক বিষয়ে স্বল্পকালীন সময় সাংবাদিকতা করেন এবং পরে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ১ নভেম্বর পাক্ষিক অর্থকণ্ঠ বিজনেস ম্যাগাজিনে সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন এবং সময়ের পরিক্রমায় ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি তিনি পাক্ষিক অর্থকণ্ঠের সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ১ জুন পাক্ষিক টাইমওয়াচ ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। পাশপাশি তিনি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক খবরের আলো পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সচিবালয়/সংসদ বিটে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ডেইলি অনলাইন www.timewatch.com.bd এবং পাক্ষিক টাইমওয়াচ বিজনেস ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি দেশের বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশনে টাইমওয়াচ শিরোনামে প্রামাণ্য তথ্যচিত্র নির্মাণ ও তা সম্প্রাচার করেন। তিনি প্রামাণ্য তথ্যচিত্র টাইমওয়াচের পরিকল্পক, উপস্থাপক ও পরিচালক। উল্লেখ্য, সাংবাদিক এ কে নাহিদ ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ আগস্ট মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের চরবংখুরী গ্রামের এক সম্ভ্যান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হযরত মাওলানা শাহসুফি আব্দুল করিম মাইজভাণ্ডারী প্রকাশ আব্দুল করিম মাওলানা এবং মায়ের নাম বেগম রাহেলা করিম। জনাব নাহিদ ৪ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে পিতা-মাতার কনিষ্ঠ সন্তান। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। লাবণ্য নাহিদ ওরফে মোহসিনা বেগম তার সহধর্মিণী। এই দম্পতি ১ জন পুত্র সন্তান এবং ১ জন কন্যা সন্তান নিয়ে রচনা করেছেন সুখী পরিবার। বড় কন্যা লাবিবা নাহিদ সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে (বারিধারা, ঢাকা) ৭ম শ্রেণী এবং একমাত্র কনিষ্ঠ পুত্র সন্তান আরাফ নাহিদ সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে (বারিধারা, ঢাকা) ৫ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।

জনাব নাহিদ শিশুকালে পিতা হারা হন। তিনি ভাই-বোন ও মায়ের স্নেহ-ভালোবাসায় বেড়ে উঠেন। তার জন্মদাতা পিতা আব্দুল করিম মাওলানা দরবারে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর (সুলতানুল মাশায়েখ গাউসে জামান হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আবুল বশর মাইজভাণ্ডারী) একজন অন্যতম খলিফা ছিলেন। সুফিবাদ চর্চার পাশাপাশি হযরত আব্দুল করিম মাওলানা এই দেশের একজন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ছিলেন। কর্ম-জীবনের শুরুতে তিনি মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা চরবংখুরী গ্রামের চরবংখুরী জামে মসজিদে স্বল্প সময় অবৈতনিক ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার তন্ত্রখোলা গ্রামের তন্ত্রখোলা জামে মসজিদের (ওফাত হওয়ার আগ পর্যন্ত) অবৈতনিক ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন সময়ে আব্দুল করিম মাওলানা তরিকা-এ-মাইজভাণ্ডারী অনুসারী হওয়ার কারণে মসজিদের একজন ইমাম হওয়া সত্ত্বেও তার পুরো পরিবার নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ পাড়া-পড়শিদের কাছে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের শিকার হন। এই বিষয়টি জনাব নাহিদের জীবনে ব্যাপকভাবে নাড়া দেয় এবং শিশু মন কেঁদে উঠে। এমনি বেদনা নিয়ে তিনি বেড়ে উঠেন এবং বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তিনি শুধু একাই বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেননি; একান্নবর্তী পুরো পরিবারের সদস্যদেরকে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। কর্ম-জীবনে প্রবেশ করে তিনি একজন কলম সৈনিক হিসেবে প্রতিনিয়ত দেশের উন্নয়ন অর্থনীতি ও সময়ের কথা বলেছেন; যা প্রশংসার দাবিদার। বর্তমানে তিনি উন্নয়ন অর্থনীতি ও সময়ের কথা বলার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন রাজনীতিতে সোচ্চার। জনাব নাহিদ ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দেশের উন্নয়ন রাজনীতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। বর্তমানে তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনিত মানিকগঞ্জ-২ আসন (হরিরামপুর, সিংগাইর উপজেলা ও মানিকগঞ্জ সদরের হাটিপাড়া, ভাড়ারিয়া ও পুটাইল ইউনিয়ন) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। তিনি দেশের উন্নয়ন রাজনীতিসহ তার নির্বাচনী এলাকা মানিকগঞ্জ-২ আসনের উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে সম্প্রতি টাইমওয়াচ প্রতিনিধিকে বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। তার দেওয়া সাক্ষাৎকারের উল্লেখযোগ্য অংশ এখানে উপস্থাপন করা হলো। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রুপম আক্তার
টাইমওয়াচ : শুরুতেই আপনার ব্যক্তিগত জীবন ও  বেড়ে ওঠা সম্পর্কে জানতে চাইছি।


এ কে নাহিদ : শুরুতেই আমি আমার ব্যক্তিগত জীবন ও বেড়ে ওঠা সম্পর্কে বলার আগে আমি আমার পিতার কথা বলতে চাই। আমার জন্মদাতা পিতা আব্দুল করিম মাওলানা দরবারে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর (সুলতানুল মাশায়েখ গাউসে জামান হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আবুল বশর মাইজভাণ্ডারী) একজন অন্যতম খলিফা ছিলেন। ছোট বেলা থেকেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মুখে আমি আমার পিতার প্রশংসা শুনতে শুনতে বেড়ে উঠেছি। তাঁর প্রশংসা শুনতে আমার খুবই ভালো লাগতো। আমার শিশু মন তখন থেকেই অন্য রকম ভাবে তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আমি আপনাকে ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। যাই হোক বলতে গেলে, আমি ছোট বেলা থেকেই সুফিবাদীয় পরিবেশে বেড়ে উঠেছি। আমি ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে এসএসসি পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার মানসিকতা নিয়ে রাজধানী ঢাকার পুরানা পল্টন লেইন এলাকায় আমার বড় ভগ্নিপতি মোঃ সাবের খানের বাসায় উঠি। কিন্তু আমার সেঝ ভাই মোঃ নাসির উদ্দীন ঢাকা কলেজে ভর্তি না করিয়ে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে (মানিকগঞ্জ) ভর্তি করান। আমি সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে ভর্তি হতে চাইনি। আমার ভাই বললো- তুই যদি এই কলেজে ভর্তি না হস তাহলে আমি তোর লেখা-পড়ার খরচ দেব না। ছোট বেলায় আমি বাবা হারিয়েছি, আমার এই ভাই আমার সমস্ত লেখাপড়ার দায়িত্ব পালন করতো। অবশ্য এই কলেজে ভর্তি করানো তার উদ্দেশ্য ছিল- আমাকে দিয়ে রাজনীতি করানো। কিন্তু তৎকালীন সময়ের মানিকগঞ্জের দাঙ্গা-হাঙ্গার রাজনীতি আমার কাছে ভালো লাগতো না। আমার ভাই তৎকালীন সময়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাই আমার ভাই আমাকে রাজনীতি করানোর উদ্দেশ্যে আমাকে লেখা-পড়ার খরচ না দেওয়ার কথা বলে এই কলেজে ভর্তি করান। বলতে গেলে তখন থেকেই আমি রাজনীতি বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন। আমার মূল উদ্দেশ্যই ছিল- আমার জন্মদাতা পিতার মতো শিক্ষিত হয়ে সুনাম অর্জন করা। বলতে গেলে, এভাবেই আমার বেড়ে ওঠা।


টাইমওয়াচ : আমরা জানি, আপনি এই দেশের একজন সাংবাদিক এবং পাক্ষিক টাইমওয়াচ পত্রিকা ও ডেইলি অনলাইন www.timewatch.com.bd এর সম্পাদক। অতীতে আপনার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। হঠাৎ আপনি রাজনীতিতে এলেন কেন?
এ কে নাহিদ : আমি সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন এই দেশে কাজ করছি। এরই আলোকে আমি লক্ষ্য করেছি, আমাদের দেশে প্রেম ও সুশাসনের অভাবে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেছে। এই উপলব্ধি থেকেই আমি রাজনীতিতে এসেছি। আমি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদ্য নিবন্ধিত বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনিত মানিকগঞ্জ-২ আসনে একতারা মার্কা নিয়ে সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী। মানিকগঞ্জ-২ আসনের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মধ্যে প্রেম ও সুশাসন সুনিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি মানিকগঞ্জ আমার জন্মভূমি। এই জন্মভূমির প্রতি আমার দায়বদ্ধতার কারণেই আমি রাজনীতিতে এসেছি।

টাইমওয়াচ : আমরা জানি, আপনি সুফিবাদ ঘরণার একজন মানুষ। এখন আপনি রাজনীতিতে এলেন কেন?
এ কে নাহিদ : সুফিবাদ প্রেমের ধর্ম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্য প্রেম জাগ্রত করাই সুফিবাদ। প্রবাদ রয়েছে- জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ঈশ্বর। আমি সুফিবাদের আলোকেই রাজনীতিতে বিশ্বাসী। একজন মানুষ যদি দেশ প্রেমিক হয় তাহলে তিনি মানুষের কল্যাণই সাধন করেন। আমিও মানুষের কল্যাণে নিজকে উৎসর্গ করতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মানব কল্যাণই সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত। এরই আলোকে আমি রাজনীতি করতে আগ্রহী।

টাইমওয়াচ : আপনার নির্বাচনী এলাকা মানিকগঞ্জ-২ আসন বিষয়ে আপনার ভাবনা কী?
এ কে নাহিদ : আমার মানিকগঞ্জ-২ আসন কৃষি-খামার এলাকা। এই এলাকায় নানা ধরনের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়। এসব কৃষি পণ্য সঠিকভাবে বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করতে পারলে মানিজগঞ্জ-২ আসন কৃষিতে সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে। কিন্তু মধ্যস্বত্ব ভোগীর কারণে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। আমি সেই ন্যায্য অধিকারকে সুনিশ্চিত করতে চাই। এছাড়াও আমার এলাকা আদি সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ; এই সংস্কৃতিকে আমি কাজে লাগাতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, যে দেশ যতো বেশি আদি সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ সেই দেশ ততো বেশি উন্নত। আমি এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চাই। আমার এলাকা পর্যটন সম্ভাবনাময়। এটিকেও আমি কাজে লাগাতে চাই। তবে আমার এলাকা পদ্মা নদী ভাঙ্গন কবলিত। আমি আমার এলাকা হরিরামপুরের পদ্মার ভাঙন রোধে কাজ করবো।

হরিরামপুরের পদ্মা নদীর ভাঙনের কবলে অনেক গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে। অসংখ্য মানুষ বসত বাড়ি হারিয়ে নিস্ব। এই নদী ভাঙন রোধ করতে না পারলে আমাদের মানিকগঞ্জ জেলা এক সময় হুমকিতে পড়তে পারে। বিগত বছরগুলোতে আমার এলাকায় নদী ভাঙ্গন সমস্যা সমাধানে কে কি করেছে আমি সেই বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। নদীকে সুশাসন করে কীভাবে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায়, তা নিয়েই আমি কাজ করতে চাই। আমি নিজেও নদী ভাঙ্গনের কারণে জন্মভূমি হারা হয়েছি। আমার জন্মভূমি মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন হাটিপাড়া ইউনিয়নের চরবংখুরী গ্রাম। আমি পরিকল্পিতভাবে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবো। আমি একটু আগে বলেছি, মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার অনেক পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে; তারা বর্তমানে চরে বসবাস করছে। আমার এলাকার চরের মানুষ খুবই অসহায়। রাস্তা-ঘাট তথা যোগাযোগের অভাবে তারা তাদের উৎপাদিত গাভির দুধ, মাছ, শাক-সবজি, ফল-মূল সর্বোপরি বিভিন্ন খামার ও কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায় না। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, চরের অর্থনীতি এখন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। তাই চরের অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে আমি কাজ করবো। চরে হাজার হাজার একর জমি পতিত পড়ে থাকে। এই পতিত জমির যথাযথ ব্যবহার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে মানিকগঞ্জ তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা গতিশীল হয়ে উঠবে বলে আমি মনে করি। পর্যটনের জন্যে চর এলাকায় রিসোর্ট, পার্ক গড়ে তোলা সম্ভব। চর এলাকায় অর্থনৈতিক জোন গড়ে তুলতে পারলে দেশের অর্থনীতি অধিক সমৃদ্ধ হবে। আমার এলাকাবাসীর কাছে আমার আহবান- আমার এলাকাবাসী আমাকে যদি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে তাহলে আমি মানিকগঞ্জ-২ আসন নিয়ে কাজ করবো। আমি আমার এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে প্রেম ও সুশাসন সুনিশ্চিত করতে চাই।


টাইমওয়াচ : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনিত মানিকগঞ্জ-২ আসন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?
এ কে নাহিদ : আমার নির্বাচনী এলাকায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সকলের মধ্যে প্রেম ও সুশাসন সুনিশ্চিত করাই আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।

টাইমওয়াচ : সবশেষে জানতে চাইবো- আপনার ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা কী?
এ কে নাহিদ : আমার ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা হলো- আমার এলাকাকে উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলা। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই স্বপ্ন এবং কর্ম-পরিকল্পনা নিয়েই আমি এগিয়ে চলেছি। এরই আলোকে আমি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনিত মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে একতারা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।

সর্বশেষ - ঢাকা