বিশ্ব করিম মঞ্জিল দরবার শরীফের খাদেম শাহ মো. গেন্দু বেপারী আল মাইজভাণ্ডারী প্রকাশ গেন্ধু ফকির বার্ধক্যজনিত কারণে ২ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ মহররম ১৪৪৮ হিজরি, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে এই নশ্বর পৃথিবী থেকে ওফাত হয়েছেন তথা চিরবিদায় নিলেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। এই নশ্বর পৃথিবী থেকে ওফাতকালীন সময়ে তিনি সহধর্মিণী, চার পুত্র সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
ওফাতকালীন সময়ে গেন্ধু ফকিরের বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি বিশ্ব করিম মঞ্জিল দরবার শরীফের প্রধান আধ্যাত্মিক পুরুষ হযরত মাওলানা শাহসুফি শেখ আব্দুল করিম মাইজভাণ্ডারী প্রকাশ আব্দুল করিম মাওলানার (তরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়া) একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তিনি সারাজীবন পীরের নির্দেশে তরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীর গোলামী করেছেন। তিনি নিজ কর্মগুণে নিজ পীরের ওফাতের পরেও তাঁর রওজা শরীফের খাদেম হিসেবে ওফাতের আগ পর্যন্ত গোলামী করেছেন। বিশ্ব করিম মঞ্জিল দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসুফি শেখ আলমগীর হোসেন মাইজভাণ্ডারী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার ওফাতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, গেন্দু ফকির সুফিবাদের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। মহাকালে আমি তার শান্তি কামনা করছি।
গেন্দু ফকিরের সন্তান মো. কামাল বেপারী আল মাইজভাণ্ডারী জানান, তাঁর জানাজা নামাজের ইমামতি করেন পালড়া দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক পুরুষ হযরত শাহসুফি আব্দুল মজিদ মাস্টার আল মাইজভাণ্ডারীর খলিফা শাহ আব্দুল লতিফ খান আল মাইজভাণ্ডারী। জানাজা নামাজ শেষে নিজ বাড়িতে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
শাহ গেন্ধু ফকির আল মাইজভাণ্ডারী জীবদ্দশায় অমায়িক মানুষ ছিলেন। তিনি ১৯৩৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপড়া ইউনিয়ন বনপাড়িল গ্রামের এক সম্ভ্যান্ত মুসলিম বেপারী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোকছেদ বেপারী এবং মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। তিনি এদেশের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু সরকারের কোনো নথিতে তার নাম নেই। তিনি জীবদ্দশায় কোনো ধরনের সরকারি ভাতা পাননি। এই নিয়ে তাঁর কোনো ধরনের আক্ষেপ ছিল না। তবে তিনি জীবদ্দশায় বলতেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও নিজ দেশসহ সারা বিশ্বে শান্তি দেখে যেতে পারলাম না। তিনি বলতেন, সারা বিশ্বে একমাত্র সুফিবাদই শান্তি বয়ে আনতে পারে। শান্তিময় বিশ্ব করিম মঞ্জিল গড়তে এর কোনো বিকল্প নেই।
ওফাতকালীন সময়ে গেন্ধু ফকিরের বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি বিশ্ব করিম মঞ্জিল দরবার শরীফের প্রধান আধ্যাত্মিক পুরুষ হযরত মাওলানা শাহসুফি শেখ আব্দুল করিম মাইজভাণ্ডারী প্রকাশ আব্দুল করিম মাওলানার (তরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়া) একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তিনি সারাজীবন পীরের নির্দেশে তরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীর গোলামী করেছেন। তিনি নিজ কর্মগুণে নিজ পীরের ওফাতের পরেও তাঁর রওজা শরীফের খাদেম হিসেবে ওফাতের আগ পর্যন্ত গোলামী করেছেন। বিশ্ব করিম মঞ্জিল দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসুফি শেখ আলমগীর হোসেন মাইজভাণ্ডারী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার ওফাতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, গেন্দু ফকির সুফিবাদের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। মহাকালে আমি তার শান্তি কামনা করছি।
গেন্দু ফকিরের সন্তান মো. কামাল বেপারী আল মাইজভাণ্ডারী জানান, তাঁর জানাজা নামাজের ইমামতি করেন পালড়া দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক পুরুষ হযরত শাহসুফি আব্দুল মজিদ মাস্টার আল মাইজভাণ্ডারীর খলিফা শাহ আব্দুল লতিফ খান আল মাইজভাণ্ডারী। জানাজা নামাজ শেষে নিজ বাড়িতে তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
শাহ গেন্ধু ফকির আল মাইজভাণ্ডারী জীবদ্দশায় অমায়িক মানুষ ছিলেন। তিনি ১৯৩৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপড়া ইউনিয়ন বনপাড়িল গ্রামের এক সম্ভ্যান্ত মুসলিম বেপারী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোকছেদ বেপারী এবং মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। তিনি এদেশের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু সরকারের কোনো নথিতে তার নাম নেই। তিনি জীবদ্দশায় কোনো ধরনের সরকারি ভাতা পাননি। এই নিয়ে তাঁর কোনো ধরনের আক্ষেপ ছিল না। তবে তিনি জীবদ্দশায় বলতেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়েও নিজ দেশসহ সারা বিশ্বে শান্তি দেখে যেতে পারলাম না। তিনি বলতেন, সারা বিশ্বে একমাত্র সুফিবাদই শান্তি বয়ে আনতে পারে। শান্তিময় বিশ্ব করিম মঞ্জিল গড়তে এর কোনো বিকল্প নেই।

















