timewatch
১৯ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, সকাল ১১:৪৮ মিনিট
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন
শিরোনাম

ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য রপ্তারনির প্রস্তাব করেন চিটাগাং চেম্বাস সভাপতি

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
অক্টোবর ৪, ২০২৩ ৬:২৫ অপরাহ্ণ

চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, ইতালিতে রপ্তানিকৃত বাংলাদেশী পণ্যের অধিকাংশই তৈরিপোশাক। তাই রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন মৌসুমী ফল, মিঠা পানির মাছ, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, প্লাষ্টিক খেলনা এবং বাই-সাইকেল ইত্যাদি আমদানির জন্য আহবান জানান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো (ঐ.ঊ. অহঃড়হরড় অষবংংধহফৎড়) ০৪ অক্টোবর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চল বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। ওমর হাজ্জাজ চট্টগ্রামের ভৌগোলিক সুবিধা ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিনিয়োগের প্রদত্ত বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে ইতালিয়ান ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আহবান জানান। এছাড়া ওমর হাজ্জাজ বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তীতে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ন্যায় ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলো যাতে কোটামুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখে সেজন্য রাষ্ট্রদূতের সহায়তা কামনা করেন। একই সাথে ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানী চাহিদার ৪০% পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানীর মাধ্যমে মেটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন শিল্প কারখানায় রুফটপ সোলার স্থাপনে বিনিয়োগ করছে শিল্প মালিকরা। এক্ষেত্রে ইতালি বিনিয়োগকারীদের এ সেক্টরে বিনিয়োগের আহবান জানান চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ।

চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ’র সভাপতিত্বে সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, ইতালীর অনারারী কনস্যুল মীর্জা সালমান ইস্পাহানী, তুরস্কের অনারারী কনস্যুল জেনারেল সালাহ্উদ্দীন কাসেম খান, চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল), মাহফুজুল হক শাহ, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন ও ওমর মুক্তাদির, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সহ- সভাপতি এ. এম. মাহবুব চৌধুরী, বিকেএমইএ’র পরিচালক আহমেদ নুর ফয়সাল, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশন’র পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান, মেরিডিয়ান গ্রুপ’র পরিচালক আকিব কামাল, বাংলাদেশ-কোরিয়া ট্রেনিং সেন্টার’র অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার নুরুজ্জামান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো চট্টগ্রাম’র সহকারী পরিচালক মোরশেদুল হক, ইউরো এক্সিম ব্যাংক, বিএসআরএম গ্রুপ ও ব্র্যাক প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে ফিলিপাইনের অনারারী কনসাল এম. এ. আউয়াল, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ এ. কে. এম. আক্তার হোসেন, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর) ও আখতার উদ্দিন মাহমুদ, বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ ও দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইতালি। গত বছর ইতালি-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ৫০ বছর পার করেছে। বাংলাদেশের ৭ম রপ্তানি বাণিজ্য কেন্দ্র ইতালি। বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে প্রচুর তৈরিপোশাক রপ্তানি হয়। ভবিষ্যৎ বাজার চাহিদানুযায়ী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে তৈরিপোশাক বৈচিত্র্যকরণর কোন বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ২ লক্ষ জনশক্তি ইতালিতে সুনামের সাথে কাজ করে গতবছর প্রায় ১.২ বিলিয়ন ইউরো রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। ইতালিতে আরো দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। ভবিষ্যতেও বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি আমদানি করা হবে। এক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে যৌথভাবে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার এবং ম্যানেজমেন্ট এডুকেশন সেন্টার করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, ইতালি একটি পরিবেশবান্ধব দেশ। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জি২০ সম্মেলনে বায়োফুয়েল ইনিশিয়েটিভ এ স্বাক্ষর করেন। ফলে বাংলাদেশে বর্জ্য থেকে জ্বালানী উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরী হবে। এক্ষেত্রে ইতালি বর্জ্য থেকে জ্বালানী উৎপাদনে কারিগরি সহায়তা প্রদানে আগ্রহী। রাষ্ট্রদূত ইতালিয়ান ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের ফুড প্রসেসিং, মেশিনারীজ, আইসিটি, শিপবিল্ডিং এবং অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা উল্লেখ করেন।

চিটাগাং চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে ইতালিয়ান মেশিনারীজের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে এবং ইতালি থেকে আমদানিকৃত পণ্যের সিংহভাগই বিভিন্ন খাত ও শিল্পের মেশিনারীজ। তাই ইতালির রপ্তানিকৃত মেশিনারীজ এর জন্য সার্ভিস সেন্টার স্থাপন এবং মেরামত ও পরিচালনার জন্য অপারটেরদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়ার ক্ষেত্রে যৌথ ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের আহবান জানান তিনি।

সর্বশেষ - ধর্মতত্ত্ব

আপনার জন্য নির্বাচিত