দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) ১৬ সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠন করেছে। এতে সাতটি চেম্বার এবং ৯টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের যুক্ত করা হয়েছে। এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক সম্প্রতি এক অফিস স্মারকে এই সহায়ক কমিটি গঠন করেন। অফিস স্মারকে বলা হয়, বাণিজ্য সংগঠন আইন অনুযায়ী এই সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনাপত্তি দিয়েছে। এর আগেও এফবিসিসিআইয়ে সহায়ক কমিটি হয়েছিল।
চেম্বার গ্রুপ থেকে সহায়ক কমিটির সদস্য হয়েছেন- ঢাকা চেম্বারের তাসকিন আহমেদ, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, রাজশাহী চেম্বারের সভাপতি মো. হাসেন আলী, বরিশাল চেম্বারের সভাপতি এবায়েদুল হক, মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান, রংপুর চেম্বারের সভাপতি এমদাদুল হোসেন এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সংগীতা আহমেদ। অন্যদিকে অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ থেকে সহায়ক কমিটির সদস্য হয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ, পাটকল মালিকদের সংগঠন বিজেএমএর সভাপতি মো. আবুল হোসেন, ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির, ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির সভাপতি আবদুল হাই সরকার, নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, প্লাস্টিকপণ্য প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন বিপিজিএমইএর সভাপতি শামীম আহমেদ, আবাসন শিল্পের মালিকদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল এবং ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। এই বিষয়ে এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে ফেডারেশন পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য এই কমিটি করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে হয়তো কমিটির সদস্য সংখ্যা বাড়বে। গত ২৬ জুলাই মো. ফজলুল হককে ১২০ দিনের জন্য এফবিসিসিআইর প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর আগে গত ২৭ জুন সাবেক প্রশাসক আবদুর রহিম খানের মেয়াদ শেষ হয়। তারপর থেকে প্রায় এক মাস প্রশাসকের পদটি ফাঁকা ছিল।

















