১১ অক্টোবর ২০২৬, এখন সময় সকাল ১১:১৭ মিনিট
শিরোনাম
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন

প্রেমাশ্রুতে বিদায় ফুটবল কিংবদন্তি মেসি

প্রতিবেদক
এ কে নাহিদ
অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৪:১৩ অপরাহ্ণ

ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি; নিজে কাঁদলেন এবং সারা বিশ্বের মানুষকে কাঁদিয়ে ফুটবল থেকে বিদায় নিলেন। সারা বিশ্বের মানুষও প্রেমাশ্রুতে বিদায় জানালেন মেসিকে। তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন। এবার মাঠে নেমে আনুষ্ঠানিক বিদায়টাও স্মরণীয় করে রাখলেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। ৭ অক্টোবর সারা বিশ্বের কোটি সমর্থকের সামনে বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১২৬ গোলের কীর্তি নিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন রোজারিওর এই ফুটবল জাদুকর। তার বিদায়কে ঘিরেই সাজানো হয়েছিল পুরো আয়োজন। আর্জেন্টিনাও ৩-০ গোলের জয়ে উৎসবের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই ছিল মেসির প্রত্যক্ষ ছোঁয়া। শেষ গোলটি নিজে করার আগে নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে বাকি দুটি গোল করিয়েছেন অধিনায়ক মেসি।
খেলার প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ চারটি শট নেন মেসি। গোলের সুযোগও পেয়েছিলেন, তবে শারীরিক নিয়ন্ত্রণ হারানোয় শেষ মুহূর্তে কাঙ্ক্ষিত ফিনিশিং করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে বল পেয়ে ভলিতে জালে জড়ান বিদায়ী ম্যাচ খেলতে নামা আরেক তারকা নিকোলাস ওতামেন্দি। গোল করার পরপরই তাকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ৬১ মিনিটে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলেও অবদান রাখেন মেসি। বাঁ দিক থেকে তার বাড়ানো বল পেয়ে গোলমুখে ঘুরে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান নিকো পাজ। এরপর ম্যাচের শেষ গোলটি আসে মেসির পা থেকেই। অগাস্তিন গিয়াই বেনিনের বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। ৭১ মিনিটে স্পট কিক থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান মেসি। এরপর সতীর্থদের ঘেরা বৃত্তে উদযাপনে মাতেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেক হয়েছিল মেসির। সেদিন তার গায়ে ছিল ১৮ নম্বর জার্সি। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ম্যাচে ২০০৬ সালের ১ মার্চ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন তিনি। ওই বছরই বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলের দেখা পান মেসি। সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর পর ২০২৬ আসর দিয়ে বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ করার আগে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ২১টি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০৮তম ম্যাচ খেলেই জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন মেসি। তার নামের পাশে এখন ১২৬ গোল ও ৬৯টি অ্যাসিস্ট। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি জিতেছেন চারটি বড় শিরোপা-২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা। গৌরবময় এক অধ্যায়, অসংখ্য রেকর্ড এবং বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের ভালোবাসা নিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ২১ বছরের দীর্ঘ পথচলার ইতি টানলেন লিওনেল মেসি।
লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার ফুটবল আকাশে এক নক্ষত্র হিসেবে উদয় হয়েছিলেন। খেলার মাঠে একাই সব আলো ছড়িয়েছিলেন। কিন্তু অপূর্ণতার মধ্য থেকেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিলেন। ক্যারিয়ারে চারটি বড় কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেললেন। তিনটি কোপা আমেরিকা। একটি বিশ্বকাপ। একটিতেও শিরোপা জিততে পারলেন না। ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল স্কোরার হলেও কোনো ফাইনাল ম্যাচে গোল করতে পারলেন না। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বড় কিছু অর্জন করতে না পারায় সমালোচনার তীরে বিদ্ধ তিনি। তার জবাব দেওয়া হলো না। তার আগেই বুট জোড়া তুলে নিলেন। সাদা-নীল জার্সিতে আর মাঠে দেখা যাবে না এই তারকাকে।


২১ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে এসে আবেগে ভেঙে পড়লেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর মাইক হাতে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে কখনো হাসলেন, কখনো ভিজে উঠলো চোখ। বিদায়ী বক্তব্যে বাবা, সতীর্থ, ভক্ত ও জাতীয় দলের হয়ে অর্জনগুলোর কথা স্মরণ করে জানালেন- এই জার্সি ছেড়ে যাওয়ার কষ্টটা তার জন্য কতটা গভীর। মেসি যখন মাইক হাতে নিলেন, তখন তার মুখে ছিল চওড়া হাসি। একপর্যায়ে ভিজে ওঠে তার চোখের কোণ। তিনি কথা বলতে শুরু করেন মাসখানেক আগে হারানো বাবাকে দিয়ে- আজ কী বলব, সত্যিই বুঝতে পারছি না। মনের ভেতর এত আবেগ, এত কিছু একসঙ্গে ঘুরছে। সবার আগে আমার বাবার কথাই মনে পড়ছে। আমি শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি। যেমনটা আমার বিদায়ী চিঠিতেও বলেছি। ২০ বছরের বেশি সময় এই জার্সি পরতে পারা আমার জন্য ছিল বিরাট সম্মানের। আমরা সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়েও গিয়েছি। কিন্তু কখনো লড়াই থামাইনি। কখনো নিজের সর্বস্ব দেওয়া থেকে পিছিয়ে আসিনি। কখনো দলটির পাশে থাকা থেকে বিরত হইনি। আর এখন ফিরে আসতে না পারার ভাবনাটা ভীষণ কষ্টের। সত্যি বলছি, সারা জীবন আমি এখানে ফিরে আসতে চাইব। কারণ আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলার চেয়ে সুন্দর আর কিছু একজন ফুটবলারের জীবনে হতে পারে না।


আমি চিরকাল এখানে থাকতে চাই। কিন্তু মনে হচ্ছে, বিদায় বলার এটাই সঠিক সময়। শেষ বিশ্বকাপটা আমার জন্য ছিল অনেক বেশি কিছু। আমরা আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। খুব কাছেও চলে গিয়েছিলাম। সত্যি বলতে, অবিশ্বাস্য কিছু ঘটেনি। আমরা আমাদের সবটুকু দিয়েছিলাম। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটা শারীরিক ও মানসিকভাবে আমাদের ভীষণভাবে নিঃশেষ করে দিয়েছিল। সত্যি বলতে, কোনোমতে টিকে গিয়েছিলাম। তারপরও আমরা লড়েছি। যেমন সব সময় লড়েছি। এই জার্সির জন্য, আমার সঙ্গে যে সতীর্থরা এতটা পথ হেঁটেছে, তাদের জন্য। একটা বিষয় নিয়ে কোনো সন্দেহ রাখবেন না। আমার পাশে যে সতীর্থই খেলেছে, এই জার্সির জন্য সে সব সময় তার সর্বস্ব দিয়েছে। আমি আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই দলের সঙ্গে যে সময়টা কাটিয়েছি, সেটার জন্য। ওরাই আমাকে আমার শৈশবের স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করেছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন, আমেরিকান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন, ফিনালিসিমা জেতার স্বপ্ন। আমরা যে প্রতিযোগিতাতেই খেলেছি, সেখানেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন। মাঠে ও মাঠের বাইরে তাদের সঙ্গে সময় কাটানো আমার জন্য ছিল বিশাল সম্মানের। আমি যেকোনো দলের বিপক্ষে লড়াই করতে প্রস্তুত থাকতাম। কারণ জানতাম, আমার পাশে কিছু যোদ্ধা আছে, যারা নিজেদের সবটুকু দিয়ে লড়বে। এখানে খেলাটাকে আমি ভীষণ মিস করব। আমি সৌভাগ্যবান যে পুরো দেশ ঘুরে খেলার সুযোগ পেয়েছি। আর যেখানেই গিয়েছি, পেয়েছি মানুষের অসাধারণ ভালোবাসা।


আমি যা কিছু পেয়েছি, যা কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে, সবকিছুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এই এতটা সময় ধরে, আমরা যেখানেই খেলতে গিয়েছি, স্টেডিয়াম ছিল পরিপূর্ণ। ম্যাচ যে ধরনেরই হোক, বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা কিংবা অন্য কোনো ম্যাচ। মানুষ সব জায়গায় এসেছে। অনেক কষ্ট করে এসেছে। আমরা জানি, সেটা কতটা কঠিন। কিন্তু তারপরও সব সময় মনে হয়েছে, আমরা যেন নিজেদের মাঠেই খেলছি। যেখানেই গিয়েছি, মানুষ আমাদের আপন করে নিয়েছে। আমরা সেটা সত্যিই অনুভব করেছি। আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর একটি এই মাঠেই এসেছিল। বিশ্বকাপ জেতার পর আমরা যখন এখানে ফিরে খেলেছিলাম। সেদিনের অনুভূতি আমি কখনো ভুলব না। দিনটা ছিল অসাধারণ সুন্দর। আজও সেই দিনের ভিডিও দেখি, আর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। দিনটি চিরকাল আমার ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। থাকবে এই মানুষগুলোর ইতিহাসে। থাকবে আমার পরিবারের ইতিহাসেও। দিনটা ছিল অবিশ্বাস্য সুন্দর। তোমাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। আর আজ, আবার এই মাঠে ফিরে এসে, আমি সম্ভবত আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কষ্টের দিনটা অনুভব করছি। কারণ আজই জাতীয় দলকে বিদায় বলছি। বিদায় বলছি তোমাদের সবাইকেও। জাতীয় দলের রং গায়ে জড়িয়ে মাঠে নামাটা আমি ভীষণ মিস করব। তবে এখন থেকে আমি থাকব ওই পাশে। তোমাদের সঙ্গেই। এই ছেলেদের জন্য গলা ফাটাব। সামনে যা আসবে, তার জন্য তাদের সমর্থন করব। সব সময় একসঙ্গে থাকব। বারবার প্রমাণ হয়েছে, আমরা যখন এক হই, একসঙ্গে দাঁড়াই, তখন আমরা যেকোনো দলের চেয়ে শক্তিশালী। যেকোনো বাধা পেরিয়ে যেতে পারি। সামনে কঠিন সময় আসবে। নিশ্চিতভাবেই আসবে। কারণ আমরা এই সময়ে যা অর্জন করেছি, তা স্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়। তাই কঠিন সময় এলে আমাদের আরও বেশি করে এই ছেলেদের পাশে থাকতে হবে। আমি ওদের সব সময় একটা কথাই বলি। আমাদের শেষ আলোচনাতেও বলেছি। বড় লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ দল তৈরি করতে হয়। কারণ এমন কিছু মানুষ আছে, যারা জাতীয় দলকে ব্যর্থ দেখতে চায়। আমরা তাদের সেই আনন্দ দিতে পারি না। কঠিন সময়, খারাপ সময়ই আসলে বলে দেয় একটা দলের ভিত কতটা শক্ত। তখনই বোঝা যায় একটা দলের মধ্যে সত্যিকারের বন্ধন আছে কি না।


যে দলে শক্ত বন্ধন নেই, তাদের পক্ষে বড় কিছু অর্জন করা খুব কঠিন। আর আমি আপনাদের একটা কথা বলতে পারি, আমরা ছিলাম অসাধারণ একটা দল। আর সে কারণেই আমরা এত কিছু অর্জন করতে পেরেছি। সত্যি বলতে, জীবনে আর কখনো এত বেশি কথা বলেছি কি না, জানি না। আমি যেতে চাই না। এই মাঠ ছেড়ে যেতে চাই না। শুধু আপনাদের একটা কথা বলতে চাই, আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি। আপনাদের ভীষণ মিস করব। আর ঈশ্বরের কাছে আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ যে আমি একজন আর্জেন্টাইন। আমি আর্জেন্টাইন, এটাই আমার গর্ব। আর আপনাদের সবার সঙ্গে আমার স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পেরেছি, সেটাও আমার সবচেয়ে বড় গর্ব। আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এরপর বিদায়ের আবেগকে আরও বিশেষ করে তুললো মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের আকাশের ড্রোন শো। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতেই স্টেডিয়ামের ওপর শুরু হয় বিশেষ এই আয়োজন।

অসংখ্য ড্রোনের আলোয় অন্ধকার আকাশে ফুটে উঠতে থাকে মেসিকে ঘিরে বিভিন্ন প্রতিকৃতি ও প্রতীক। কখনো দেখা যায় মেসির অবয়ব, কখনো ভেসে ওঠে তার নাম ও আর্জেন্টিনার পরিচিত প্রতীক। ড্রোনের আলোকচিত্র বদলাতে বদলাতে শেষ পর্যন্ত আকাশে স্প্যানিশ ভাষায় ফুটে ওঠে ‘গ্রাসিয়াস লিও’, যার অর্থ ‘ধন্যবাদ, লিও’। মনুমেন্তালে উপস্থিত হাজারো দর্শকের জন্য সেটিই হয়ে ওঠে মেসির বিদায়ী রাতের শেষ বড় মুহূর্তগুলোর একটি। এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই মেসিকে ঘিরে ছিল নানা আয়োজন। জাতীয় দলের হয়ে শেষবার মাঠে নামার আগে সতীর্থ ও দর্শকদের কাছ থেকে পান বিশেষ সম্মান। ম্যাচ চলাকালেও তাকে ঘিরে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। ১০ মিনিটে মেসিকে সম্মান জানাতে খেলা এক মিনিটের জন্য থামানো হয়। গ্যালারিজুড়ে তখন করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে মনুমেন্তাল। ম্যাচেও নিজের স্বাক্ষর রেখে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মেসির কর্নার থেকেই নিকোলাস ওতামেন্দি গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। পরে তার পাস থেকে নিকো পাজ করেন দ্বিতীয় গোল। ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করে দলের ৩-০ জয় নিশ্চিত করেন মেসি। অর্থাৎ বিদায়ী ম্যাচে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে মাঠ ছাড়েন তিনি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করার রাতেও মেসি নিজের পারফরম্যান্সে ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে। শেষ বাঁশির পরও অবশ্য মেসিকে ঘিরে থামেনি আয়োজন। রেফারি ফার্নান্দো ভেখার তাকে উপহার দেন বিশেষ হলুদ ও লাল কার্ডের সেট। ম্যাচের বলটিও তুলে দেওয়া হয় মেসির হাতে। এরপর মনুমেন্তালের আকাশে ড্রোন শোয়ের মাধ্যমে যেন আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা নামে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের ওপর। বিদায় মেসি…

 

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

রোজায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সময়সূচি

কুড়িগ্রামে ঘরের চালে উঠতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল কাঠ মিস্ত্রির

দিল্লিতে হাসিনা-মোদি বৈঠক ৮ সেপ্টেম্বর

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

ঐক্যবদ্ধভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ রুখে দিন, আমাদের সমস্যা আমরা সমাধান করবো : লিবারেল ইসলামিক জোট

নাইকো মামলায় অভিযোগ গঠন বাতিলে খালেদার আবেদন সরাসরি খারিজ

‘বিনিয়োগকারীরা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন’

বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ইন পর্তুগালের কমিটি গঠন

আবু সাঈদের বাড়িতে প্রধান উপদেষ্টা : কবর জিয়ারত ও মোনাজাত

সিটি করপোরেশনকে জনসম্পৃক্ত করতে গণমাধ্যমের সহায়তা প্রয়োজন : ডিএসসিসি প্রশাসক