১১ অক্টোবর ২০২৬, এখন সময় সকাল ১১:৪৭ মিনিট
শিরোনাম
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন

একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন : মেট্রোরেলের দুই লাইনে ব্যয় বাড়ল ১ লাখ ১০ হাজার কোটি

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৪:৫১ অপরাহ্ণ

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি লাইন-১ এবং লাইন-৫ প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এতে দুই লাইনে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি। একইসঙ্গে অনুমোদন পেয়েছে আরেক মেট্রোরেল লাইন এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট)। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়া।

জানা গেছে, আজকের সভায় মোট ১৬টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া এমআরটি-১ ও এমআরটি-৫ টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। এর আগে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিএমটিসিএল দুটি মেট্রো লাইনের সংশোধিত প্রস্তাব সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠায়, যা পরে পরিকল্পনা কমিশনে যায়। এমআরটি লাইন-১ এর জন্য ডিএমটিসিএল সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব করেছিল ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ এর ক্ষেত্রে প্রস্তাব করেছিল ৯৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। তবে নানা যাচাই বাছাই শেষে প্রস্তাবের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমিয়ে নতুন ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ফলে এমআরটি-১ এ ৬১ হাজার ৮৩৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং এমআরটি-৫ (নর্দান) লাইনে ৪৮ হাজার ৬১০ কোটি টাকা ব্যয় বেড়েছে।

এদিকে এমআরটি-৫ (সাউদার্ন) প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এরমধ্যে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা দেবে সরকার এবং বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা আসবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণ হিসেবে। প্রায় ১৭ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই লাইনটি গাবতলী থেকে কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও হয়ে আফতাবনগর পর্যন্ত যাবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা কক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয় একনেক সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১২টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প ৭টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৫টি।

সভায় অনুমোদিত ১২টি প্রকল্প হলো: সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ০৫টি প্রকল্প (১) “ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): সাউদার্ন রুট” প্রকল্প (২) “রাজশাহী সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ” প্রকল্প (৩) “চট্টগ্রাম সড়ক জোনের আওতায় জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (৩য় পর্যায়)” প্রকল্প (৪) ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): নর্দান রুট (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প (৫) “ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প । প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ০২টি প্রকল্প (১) বরিশাল সেনানিবাস, বরিশাল স্থাপন-২য় পর্যায়” প্রকল্প (২) “খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ” প্রকল্প। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ০১টি প্রকল্প “খুলনা পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধন)” প্রকল্প । রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ০২টি প্রকল্প (১) “Implementation of Electric Traction Along Narayanganj-Dhaka-Joydebpur Section of Bangladesh Railway” প্রকল্প (২) “বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধন)” প্রকল্প। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ০১টি প্রকল্প “The Improved Working Condition and Social Protection for Workers in the Textile and Leather Sector)” প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ০১টি প্রকল্প “মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার আপগ্রেডেশন ও সম্প্রসারণ (১ম সংশোধিত)” প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান; পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সরদার এম এ মুহিত; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক