৩০ জুলাই ২০২৬, এখন সময় রাত ৮:১০ মিনিট
শিরোনাম
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন

সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : কৃষিমন্ত্রী

প্রতিবেদক
স্টাফ রিপোর্টার
জুলাই ২৮, ২০২৬ ৪:০১ অপরাহ্ণ

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। সার নিয়ে সংকটের যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির মাধ্যমে কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী আজ মঙ্গলবার গাজীপুরের জয়দেবপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে। এছাড়া পাইপলাইনে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও প্রাপ্যতা রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। সার সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতি আরো কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কোনো পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি না থাকলে সেই পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ার কথা নয়। বাজারে পণ্য রয়েছে, সরবরাহও রয়েছে— তাহলে দাম কেন বাড়ছে এবং এর পেছনে কী ধরনের মেকানিজম কাজ করছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। কৃষিপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও সংস্থাকে আরো সক্রিয় ও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

গবেষণা প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীকে এগিয়ে নিতে হলে গবেষণার জন্য গবেষণা নয়, মানুষের প্রয়োজন ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা করতে হবে। দেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে অনেক নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা কৃষক ও সাধারণ মানুষের উপকারে আসছে। বাংলাদেশে মৌসুমি বন্যা একটি বাস্তবতা। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে আগাম বন্যার কারণে প্রায় প্রতিবছরই কৃষকরা ফসলের ক্ষতির মুখে পড়েন। এ সমস্যা মোকাবেলায় হাওর অঞ্চলের উপযোগী নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য গবেষকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। এরই মধ্যে একটি নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আগামী মৌসুমেই হাওর অঞ্চলে নতুন জাতের প্রায় ব্রি-১১৮ ধানের ৩০ টন বীজ সরবরাহ করা হবে। এর ফলে কৃষকরা আগের তুলনায় আরো আগে ধান কাটতে পারবেন। আগাম বন্যা ও বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ধান কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে হাওর অঞ্চলের কৃষকরা আগাম বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন।

এসময় কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সিসহ কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অভ্যন্তরীণ গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেন মন্ত্রী।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক