timewatch
১৯ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, দুপুর ১২:৪৮ মিনিট
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি
  6. খুলনা
  7. খেলাধূলা
  8. গণমাধ্যম
  9. চট্রগ্রাম
  10. জাতীয়
  11. ঢাকা
  12. তথ্য-প্রযুক্তি
  13. ধর্মতত্ত্ব
  14. প্রকৃতি-পরিবেশ
  15. প্রবাস জীবন
শিরোনাম

সকলের ভালোবাসায় সিক্ত রাজনীতিক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ

প্রতিবেদক
মোঃ ফজলুল হক মাস্টার, জামালপুর
জুলাই ৩, ২০২৩ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ

দেশ যখন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারায় বিশ্বের বুকে ঈর্ষণীয়ভাবে এগিয়ে চলেছে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিসহ জাতির সার্বিক মুক্তি যখন হাতের কাছে, দেশের মানুষ যখন শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে জীবনের জয়গানে আপন পথে শান্তি পারাপারের অভিমুখে, যখন সমগ্র জাতির গ্লানি ও কলঙ্কের কষ্ট মোচনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ এবং মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া গৌরবকে পুনরুদ্ধারের কাজ সম্পন্ন হতে চলেছে, দেশ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে চলেছে, সরকারের মেয়াদকাল প্রায় পূর্ণ হয়ে ক্রমেই এগিয়ে আসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং দলটির সভাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন এবং সফলভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে গত প্রায় ১৫ বছরে দেশকে বিশ্বদরবারে অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছেন- এতে একটি মহলের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগ শুরু করেছে বিরোধীদল নামক স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। নির্বাচনকে বানচাল করার অপপ্রয়াসে অশুভ শক্তির কালোছায়ায় দেশকে আচ্ছাদিত করার চক্রান্ত করছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি। পূর্বে এই অপশক্তির হায়েনার ছোবলে ক্ষত-বিক্ষত করে জাতির জীবন, গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্র হত্যা, আন্দোলনের নামে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞের বিস্তার ঘটায়, মানুষের রূপ ধরে মানুষ হত্যা, নিরীহ অসহায় সংখ্যালঘুদের উপর নিষ্ঠুর অত্যাচার, আক্রমণ-লুণ্ঠন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জাল ফেলে নিঃস্ব করে দিতে চায় দেশকে এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে। বর্তমানে প্রকাশ্যে তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারক থেকে শুরু করে সাধারণ নেতাকর্মীরাও ঘরে বসে নেই, বিরোধী দলের সকল চক্রান্ত নস্যাৎ করতে তারা সংকল্পবদ্ধ। তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল এবং প্রভাবশালী দেশ ও সংস্থাগুলোর সাথে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রাখার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি গত প্রায় ১৫ বছরে গৃহীত দেশের ‘উন্নয়ন কর্মকাণ্ড’ ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। কূটনীতিকদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রেখে সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি, দলের প্রতিটি স্তরে কোন্দল নিরসন, নেতাদের ঐক্যবদ্ধ এবং নতুন প্রজন্মের ভোটারদের মাঝে স্মার্ট বাংলাদেশের কনসেপ্ট ব্যাপকভাবে তুলে ধরছে। সম্ভাব্য প্রার্থী জরিপ, দলের ইশতেহার ও ঘোষণাপত্র তৈরি, সবক’টি সংসদ নির্বাচনের ফল চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জনপ্রিয় প্রার্থীদের খোঁজা হচ্ছে, যাতে করে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া যায়।
আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ টানা দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জামালপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি একাধারে প্রখ্যাত আইনজীবী, জননেতা, রাজনীতিক, জনদরদী, সমাজ সংস্কারক, সংগঠক, বর্ণাঢ্য ব্যক্তিত্ব, সুবক্তা, কবি ও কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও একজন বুদ্ধিজীবী। বহুবিধ প্রতিভার অধিকারী একজন রাজনীতিকের বিজয়গাথা তুলে ধরতেই আজকের নিবন্ধের অবতারণা।
একজন আইনজীবী হিসেবে সমাজ থেকে দারিদ্র্য, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি উচ্ছেদসহ আইনের শাসনের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা বুকে ধারণ করে নিজস্ব জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও ধীশক্তি ব্যবহার করে সমাজ থেকে বিশৃঙ্খলা ও অপসংস্কৃতি দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন তিনি। একজন পেশাদার আইনজীবীর দক্ষতা, আইন, আইন পেশার মানোন্নয়ন, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিসহ জাতীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে যে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা অপরিহার্য- তার সবটুকু রয়েছে আজকের আলোচিত প্রাজ্ঞ এই রাজনীতিকের।
কিন্তু তাঁর আজন্ম আকাক্সক্ষা মানবসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা। তিনি সীমিত সামর্থ্য দিয়ে তাঁর ইচ্ছা ও স্বপ্নকে প্রতিফলিত করতে চান। মানুষের সীমাবদ্ধ জীবনচক্রে অন্তিম আবর্তন কখন ঘনিয়ে আসে তা অনিশ্চিত, অজ্ঞাত। তাই তিনি সবটুকু সময়ের সদ্ব্যবহার করতে চান দেশ ও জনগণের কল্যাণে। তাঁর ভেতরে গতানুগতিক চিন্তার শৃঙ্খল হতে বাইরে বেরিয়ে আসার একটা তাগিদ বা প্রয়াস স্পষ্ট। এক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত নির্মাণে সিদ্ধহস্ত হতে চান তিনি। নির্যাতিত-নিপীড়িত, শাসিত ও শোষিত মানুষের কল্যাণের চিন্তায় তিনি বিভোর। শৈশব থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে দীক্ষিত এ রাজনীতিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আত্মপরিগঠন, আবেগ ও সংকল্প সৃষ্টিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে মগজে ধারণ করে সমাজে পুরোদস্তুর কাজ করে যেতে চান তিনি। কিন্তু দলীয় সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করে। মানবকল্যাণের স্বপ্ন, আকাক্সক্ষা ও কর্মোৎসাহকে এতোটুকু দমিত ও ম্লান করতে চান না তিনি। নিজস্ব এলাকা সমাজ বা দেশের জন্য কিছু করতে চাইলে ব্যক্তির অবস্থান সে ক্ষেত্রে কতটুকুই সহায়ক বা কার্যকর। ক্ষেত্রের বিস্তার প্রসার ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকার এক্ষেত্রে বাঞ্ছনীয় বা অনিবার্য। নিজের জীবন গঠন, ভোগ-বিলাস বা সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির স্পৃহা নয়, এলাকার মানুষ তথা দেশ ও জনগণের কল্যাণের জন্য অধিকতর সামর্থ্য সারণি নির্মাণের জন্যেই প্রয়োজন নির্দিষ্ট অবস্থান ও ক্ষমতার। মৌলিক চিন্তার এ উন্মেষ তাঁকে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন লাভে আগ্রহী ও উৎসাহী করেছে। এলাকার মানুষ ও দেশের জন্য কাজ করতে হলে এ প্রয়োজন তাঁর অনিবার্য। তাঁর জীবন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা প্রভাবিত হলেও নিজস্ব মৌলিকত্ব অনায়াসে চোখে পড়ে। আন্দোলন-সংগ্রাম, রাজনীতি ও সমাজ সংস্কার ছাড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠী, শ্রমিক-কৃষক ও খেটে খাওয়া মানুষের মুক্তি নেই। তাই তিনি দৃঢ়তা ও সংকল্পবদ্ধতার সাথে এগিয়ে চলেছেন আপন শক্তিতে বলীয়ান হয়ে। নীতিকথার মুখরোচক বুলি আওড়ে নয়- তিনি তার প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে চান কাজে ও মননশীলতায়।
জ্ঞান লাভের পর থেকে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মিছিলের সামনে থাকা সেই অকুতোভয় মানুষটিই আজকে জামালপুরের আওয়ামী রাজনীতির প্রাণভোমর, অভিভাবক, নেতা-কর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থল জননেতা মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। রাজনীতিতে যুক্ত হবার পর থেকে দলের প্রতিটি কাজে তিনি অবদান রেখেছেন তাঁর জীবনের সমস্ত মেধা, শক্তি ও সামর্থ্য দিয়ে। অদমিত এই রাজনীতিক দলের কর্মসূচি প্রতিপালনের জন্য কখনো পিছপা হননি। কালের প্রয়োজনে ও সময়ের উপযোগিতা এবং মানবকল্যাণের আকাক্সক্ষায় দলের নীতি-নির্ধারক মহলের কাছে তাঁর একান্ত আবেদন ও দাবি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে মনোনয়ন দান। দল যদি যোগ্যতা বিবেচনায় এ আসনে তাঁকে মনোনয়ন দেয় তাহলে তিনি নির্বাচিত হয়ে স্বীয় এলাকা ও দেশের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান।
মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ১৯৫৯ সালের ৯ জানুয়ারি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার পূর্ব নলছিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা এম.এ সামাদ ও মা জহুরা খাতুন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বাবা-মা’র দ্বিতীয় সন্তান। পিতার কর্মস্থল নারায়ণগঞ্জ হওয়ায়, এখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষা জীবনের শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ সালে এসএসসি ও ১৯৭৯ সালে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ও এলএলবি সম্পন্ন করেন।
মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ১৯৮৫ সালের ৯ আগস্ট ডা. সাজদা-ই-জান্নাতকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবনে তাঁদের এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান- মাহিন মুতাসিম বিল্লাহ ও রিহান তাইয়্যেবাহ বিল্লাহ।
মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ১৯৭৯ সালে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ১৯৭৯-৮০ ও ১৯৮০-৮১ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেলে পরপর দুইবার সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯০ সালে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, এরপর ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৯৬-২০১১ সহ-সভাপতি, ২০১১-২০১৫ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি; ২০১৫ ও ২০২২ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তিনি তাঁর মেধা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও আন্তরিকতার অসম্ভব সমন্বয় ঘটিয়ে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। মিষ্টভাষী, সদালাপী, প্রখ্যাত আইনজীবী মুুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবী এবং ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। তিনি ১৯৯৫ সালে জামালপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং চারবার যথাক্রমে ২০০৭, ২০০৮, ২০১১ ও ২০১৯ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
একজন দক্ষ সংগঠক, কবি ও কথাসাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক বাকী বিল্লাহ’র প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘লাবণ্যে জড়ানো পাপ’ ইতোমধ্যে যথেষ্ট পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। রাজনীতি ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াসহ নানামুখী কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। তিনি একাধারে জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, ক্রীড়া সংস্থা, শিল্পকলা একাডেমি, পাবলিক লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত আছেন। গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে একটি মাদ্রাসা ও মসজিদসহ কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছেন। সৌখিন, ভ্রমণপিপাসু, প্রতিশ্রুতিশীল, পরিচ্ছন্ন মানুষ হিসেবে তিনি সর্বমহলে সমাদৃত। ইতোমধ্যে তিনি সস্ত্রীক পবিত্র হজব্রত পালনসহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, সুইডেন ও ডেনমার্কসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।
বক্তৃতা যদি হয় শিল্প তাহলে তিনি হলেন এর স্রষ্টা। তাঁর মতে পণ্ডিতের পাণ্ডিত্যপূর্ণ ভাষণ তুষ্ট করে মুষ্টিমেয়কে। এই মুষ্টিমেয়র তুষ্টি সাধনে তিনি তৎপর নন। সাবলীল ভাষায় কথা বলেন সভা-সমাবেশে। তাতেই প্রকাশ পায় জ্ঞানের গভীরতা। শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধের মতো বক্তৃতা নয়, মনের কথা শোনেন তাঁর কাছ থেকে। শিল্প-সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক এমনকি প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যখন তিনি বক্তব্য উপস্থাপন করেন ব্যত্যয় ঘটে না বক্তৃতার আঙ্গিকে। ব্যত্যয় ঘটে শুধু শব্দ চয়নের কুশলতায়। যেখানে যেমন- সেখানে তেমন। এক কথায় স্থান-কাল-পাত্র ও বিষয়বস্তুর গুরুত্ব ইত্যাদি সুবিবেচিতভাবেই উপস্থাপিত হয় তাঁর বক্তব্যে। জনগণের প্রাণের কথা, দুঃখ-বেদনার কথা, তাদের সমস্যা-সঙ্কটের কথাগুলো অনায়াসেই প্রাঞ্জল ভাষায় প্রকাশ করেন তিনি।
মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ আজ শুধু একটি নাম নয়। তিনি এলাকার আশা-ভরসার প্রতীক। মানুষের আশীর্বাদ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত মানবদরদী নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ। নিজ কর্মের মাধ্যমে তিনি বেঁচে থাকতে চান মানুষের অন্তরে। তিনি হতে চান সকলের নয়নের মণি এবং পেতে চান হৃদয়ের ভালোবাসা।
লেখক : কলামিস্ট

সর্বশেষ - ধর্মতত্ত্ব