মানবতাবাদী মানবিক গণতান্ত্রিক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম’কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ২৫ জুলাই বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। দলটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল। আলোচনা সভার বক্তব্য রাখেন- ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এম.এ ভাসানী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, সমতা পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শামসুল হক, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, নারী নেত্রী এলিজা রহমান ও নাসিমা খাতুন।
সভাপতির বক্তব্যে এম এ জলিল বলেন, নির্বাচন, গণতন্ত্র, আইনের শাসনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বকে পরিবেশ বান্ধব করা যায়। যার স্বপ্ন দেখিয়েছেন মহান ব্রিটেন। বিশ্বের অসহায় নির্যাতিত জনগণের পার্শ্বে দাড়িয়েছেন ও মুক্তিদাতা ব্রিটেন। এই ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বিশ্বের সাধারণ অসহায় মানুষের বন্ধু হিসেবে কাজ করবে বলে আমি আশাবাদী। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন বিবিসি ও ব্রিটেনের জনগণ। বিবিসির খবর শুনে বাংলাদেশের জনগণ বর্বর পাকিস্তানের বাহিনীর বিরুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। সেই সময় ব্রিটেনের জনগণ সমর্থ দিয়াছেন ও অর্থনৈতিক সাহায্য করেছে সেই জন্য ও ব্রিটেনের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ। ব্রিটেনের জনগণের সমর্থনের কাছে ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে গেলে তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নেতাকে সম্মান দেখান এবং স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি দান করেন।১৯৭২ সাল থেকে ব্রিটেন বাংলাদেশ অকৃত্তিম বন্ধু। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে ব্রিটেন। বাঙালি জাতি মহান ব্রিটেনের কাছে কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পার্শ্বে দাঁড়াবে ও সাহায্য-সহযোগিতা করবে এই আশা ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, মহান ব্রিটেন বিশ্বের কাছে এমন একটি দেশ যেই দেশে লিখিত কোন সংবিধান নাই। তারা মানবতার পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে, আইনের পক্ষে কাজ করেন, যা বিশ্বের সবাই মেনে চলেন।


















